মহাদেশ সৃষ্টির রহস্য - যেভাবে বিভক্ত সাত মহাদেশ
পৃথিবী
সৌরজগতের অন্যতম গ্রহ যার বয়স অনুমানিক ৪,৬০০ মিলিয়ন
বছর। পৃথিবীপৃষ্ঠের মোট আয়তন ৫১,০০,৬৬,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
বিশাল জলভাগ আর স্থলভাগে পৃথিবী বিভক্ত। বিশাল এ জলরাশিকে বলা হয় মহাসমুদ্র এবং
স্থলভাগকে বলা হয় মহাদেশ। পৃথিবীর মোট স্থলভাগের আয়তন ১৫,০৬,২৮,৬৬১ বর্গ কি.মি.। পৃথিবীতে মোট ৭টি মহাদেশ রয়েছে। এগুলো
হলো ইউরোপ, এশিয়া, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ
আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা ও
এন্টার্কটিকা।
মহাদেশগুলোর উৎপত্তি সম্পর্কে আলফ্রেড ওয়েগেনার ১৯১২ সালে সর্বপ্রথম এক মতবাদ প্রদান করেন, যার নাম মহাদেশীয় সরণ। উক্ত মতবাদ অনুসারে বলা হয় কোনো একসময় এই ৭টি মহাদেশ একত্রিত থেকেই তৈরি করেছিল এক অতিকায় মহাদেশ। প্রায় ২৫০ মিলিয়ন (২৫ কোটি) বছর আগে (অঙ্গার-উৎপাদী কালের শেষদিকে) মাত্র একখণ্ড বিশাল স্থলভাগের উৎপত্তি হয়েছিল যার নাম ছিল 'প্যাঙ্গাইয়া'। এর প্রায় ৬৫ মিলিয়ন (৬ কোটি ৫০ লাখ) বছর পরে বিশাল এ ভূখণ্ডটি বৃহৎ দুটি ভূখণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। ভূখণ্ড দুটির নাম হলো লাউরাসিয়া ও গোন্ডওয়ানাল্যান্ড।
বৃহৎ ওই
ভূখণ্ড দুটি একটি অপরটির থেকে দূরে সরে যেতে থাকে। লাউরাসিয়া ভূখণ্ড থেকে উৎপত্তি
ঘটে এখনকার উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়া
মহাদেশের। গোন্ডওয়ানাল্যান্ড ভূখণ্ড থেকে উৎপত্তি হয় আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও এন্টার্কটিকা মহাদেশগুলোর। মহাদেশগুলো
একত্রিত হয়ে যে বিশাল ভূখণ্ড তৈরি করে তা উপরোক্ত মতবাদকে সমর্থন করে। মহাসমুদ্র
গবেষণা থেকেও এর সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে।
সাইটটি দেখে অনেক ভাল লাগলো। এখানে অনেক কিছু জানার আছে। ধন্যবাদ।
উত্তরমুছুন